
এফএনএস (মিলন কর্মকার রাজু; কলাপাড়া, পটুয়াখালী) : দেশ জুড়ে জামায়াত-শিবিরের সহিংসতা ও লাগাতার হরতালের কারনে কুয়াকাটায় পর্যটন ব্যবসায় ধ্বস নেমেছে। গত সপ্তাহে কুয়াকাটায় লাখো পর্যটকের সমাগম হলেও এ সপ্তাহের সাপ্তাহিক ছুটিতে কুয়াকাটায় পর্যটক শূন্য। কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে কুয়াকাটার মোটেল, হোটেল ব্যবসায়ীরা এখন হতাশ। রোববার দুপুরে সরেজমিনে কুয়াকাটা ঘুরে দেখাযায়, বিস্তীর্ন সৈকত পর্যটক শূন্যতায় খা খা করছে। অধিকাংশ হোটেল, মোটেল ও রেস্টুরেন্ট একরকম বন্ধ। গত বৃহস্পতিবার প্রায় ১০ হাজার পর্যটকের কুয়াকাটায় সমাগম হলেও লাগাতার হরতালের কারনে পর্যটকরা ভ্রমন সংক্ষিপ্ত করে কুয়াকাটা ছেড়েছে শুক্রবার সকালে।
কুয়াকাটার আলীশান মোটেল হোটেল নিলাঞ্জনার ম্যানেজার জানান, গত তিন দিনে একজন বোর্ডারও রুম বুকিং করেনি। অথচ গত সপ্তাহে পর্যটকদের ভীড়ের কারনে মোটেল এর একটি রুমও খালি ছিল না। একই অবস্থা অন্য হোটেল মালিকদের। কুয়াকাটার একাধিক হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট মালিক জানান, কুয়াকাটায় কোটি কোটি টাকা বিনিয়োগ করে এখন তারা লোকসানের মুখে। প্রতিমাসে হোটেলের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতনের টাকা দিতেও তাদের হিমশিম খেতে হয়। এ অবস্থা চলতে থাকলে হোটেল বন্ধ করা ছাড়া উপায় নেই। এখন পর্যটন মেীসুম। কিন্তু এখন যদি কুয়াকাটায় পর্যটকরা আসতে না পারে তাহলে আগামী বর্ষা মেীসুমে তো আরও ভয়াবহ অবস্থা সৃষ্টি হবে। কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেরকমই থাকুক রাজনৈতিক দলগুলো পর্যটন কেন্দ্রগুলোকে রাজনৈতিক কর্মসূচীর বাইরে রাখলে দেশ-বিদেশের পর্যটকরা নির্বিঘ্নে কুয়াকাটায় ভ্রমনে আসতে পারবে।