তাজা খবর : 
 
 
কলাপাড়ায় ম্যাক্সিম গ্র“পের ম্যানেজারের বিরুদ্ধে মামলা
এফএনএস (মিলন কর্মকার রাজু; কলাপাড়া, পটুয়াখালী) : ১৩ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে কলাপাড়া ম্যাক্সিম মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ সোসাইটি লিমিটেডের ম্যানেজার সহ চার জনের বিরুদ্ধে কলাপাড়া থানায় মামলা হয়েছে। গতকাল এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাশিয়ার মোসা. নাসরিন নাহার বাদি হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামীরা হলেন ম্যানেজার মো. আঃ শাকুর, তার পিতা আবু সালেহ, স্ত্রী মোসা. হাসি বেগম ও শাখার কর্মচারী মো. শামিম।
মামলার বিবরনে জানাযায়, কলাপাড়ায় গত বছর ম্যাক্সিম গ্র“পের শাখা খুলে পাঁচ বছরে দিগুন লাভ দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাদের ব্যাংকিং কর্মকান্ড শুরু করে। তাদের প্রলোভনে পড়ে মামলার বাদি নাসরিন নাহার, তার আত্মীয় স্বজন ও এলাকার অর্ধশত মানুষ ডিপিএস ও এফডিআর করে। তারা কলাপাড়া শাখায় মোট ছয় লাখ টাকা জমা রাখেন। ম্যানেজার জমাকৃত টাকার রশিদ প্রদান করেন। এছাড়া গত বছরের ২৯ ফেব্র“য়ারি থেকে ২০১৩ সালের ২৭ ফেব্র“য়ারি পর্যন্ত দুই শতাধিক গ্রাহকের জমাকৃত আরও ৭ লাখ টাকা তিনি ম্যানেজারকে বুঝিয়ে দেন। কিন্তু এ টাকা তিনি প্রতিষ্ঠানে জমা না রেখে ম্যানেজার তার পিতা আবু সালেহকে প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা বর্হিভূত সোর্স কমিশন প্রদান করেন। আত্মীয় স্বজনের নামে কাগজে কলমে ভূয়া টাকা জমা দেখিয়ে এ কমিশন ও মুনাফা প্রদান করেন বলে মামলায় উল্লেখ করেন। তাছাড়া ম্যানেজারের স্ত্রী হাসি বেগমসহ তার আত্মীয় স্বজনের নামে ভূয়া লোন প্রদান দেখিয়ে সে টাকা তিনি আত্মসাত করেন। এ খবর জানতে পেয়ে গ্রাহকরা তাদের জমাকৃত টাকার জন্য চাপ দিতে থাকলে সে টালবাহানা শুরু করেন এবং পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে গ্রাহকদের পক্ষ হয়ে তিনি এ মামলা দায়ের করেন।
এ ব্যাপারে ম্যাক্সিম গ্র“পের কলাপাড়া শাখার ব্যবস্থাপক মো. আঃ শাকুর জানান, তিনি টাকা আত্মসাত করেননি। গ্রাহকদের টাকা কোম্পানীতে জমা দিয়েছেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাপাড়া থানার এসআই মো. রফিকুল ইসলাম জানান, মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। মামলার এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য গত বছরের ১৬ মে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান পাটোয়ারী কলাপাড়া ও আলীপুরের মৗাক্সিমের দুটি শাখা বন্ধে চিঠি প্রদান করেছিলেন। পরবর্তীতে সমবায় কর্মকর্তাদের যোগসাজসে এগুলো বন্ধ না হয়ে আরও নতুন উদ্যেমে কাজ শুরু করায় গ্রাহকরা লোকসানের কবলে পড়ছে বলে গ্রাহকরা অভিযোগ করেন। কলাপাড়ার মতো আলীপুর শাখার গ্রহকরাও তাদের জমাকৃত টাকা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে।



  আপলোড তারিখ : 2013-03-06

Share on Facebook    
 
 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত