তাজা খবর : 
 
 
বিন লাদেনের মুখপাত্র সুলাইমান গ্রেপ্তার
বিন লাদেনের মুখপাত্র সুলাইমান গ্রেপ্তারএফএনএস ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক : কথিত আল-কায়েদা নেতা উসামা বিন লাদেনের জামাই সুলায়মান আবু ঘেইতকে জর্দান থেকে আটক করেছে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএ। পরে তাকে নিউ ইয়র্কে নেয়া হয়েছে। মার্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএস নিউজ এ খবর দিয়েছে। এর আগে, আবু ঘেইতকে তুরস্ক থেকে বহিষ্কার করা হয়। সিবিএস নিউজের ইনভেস্টিগেটিভ প্রডিউসার প্যাট মিল্টনকে এ কথা নিশ্চিত করেছেন আইন-শৃ´খলাবাহিনীর একটি সূত্র। আবু ঘেইতের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদসহ কয়েক ধরনের অভিযোগ আনা হতে পারে। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় শনিবার সকালে নিউ ইয়র্কের একটি আদালতে তাকে হাজির করা হবে।
সুলাইমান আবু ঘাইত আল কায়েদার নিহত শীর্ষ নেতা বিন লাদেনের জামাতা। তিনি ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক এর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থায় (টুইন টাওয়ার) হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন বলে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের হত্যার ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শুক্রবার সুলাইমানকে একটি কেন্দ্রীয় আদালতে হাজির করার কথা রয়েছে। আল কায়েদায় সুলাইমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান রয়েছে। কুয়েতি নাগরিক সুলাইমান ছিলেন একজন শিক্ষক ও কুয়েতের একটি মসজিদের ইমাম। কিন্তু ২০০১ সালে টুইন টাওয়ারে হামলার পর তার কুয়েতের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের আইন বিভাগের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সুলাইমান ২০০১ সালের মে মাস থেকে ২০০২ পর্যন্ত বিন লাদেনের পাশে থেকে কাজ করেছেন। তিনি আল কায়েদার পক্ষ থেকে কথা বলতেন এবং বিশ্বব্যাপী ১১ সেপ্টেম্বরের মতো আরো হামলা চালানো হবে বলে হুমকি দিতেন।

বিশেষ করে ২০০১ সালের ১২ সেপ্টেম্বর বিন লাদেন ও আয়মান আল জাওয়াহিরি সঙ্গে সুলাইমান একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে হুমকি দিয়েছিলেন, 'মহান যোদ্ধারা তোমাদের (যুক্তরাষ্ট্র) বিরুদ্ধে একত্রিত হচ্ছে।' ইসলামের নামে 'ইহুদি, খ্রিস্টান এবং আমেরিকানদের' বিরুদ্ধে জেহাদেরও ডাক দিয়েছিলেন তারা। ২০০২ সালে কিছু সময়ের জন্য ইরানে চোরাচালানীর কাজেও যুক্ত ছিলেন সুলাইমান। জর্ডানের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত সপ্তায় সুলাইমানকে গ্রেপ্তার করে যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে। দুই দেশের বন্দি বিনিময় চুক্তির আলোকেই সেটা করা হয়েছে। সুলাইমানের গ্রেপ্তার হওয়ার বিষয়টিকে কংগ্রেস সদস্য পিটার কিং আল কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে 'বড় ধরনের বিজয়' বলে অভিহিত করেছেন। ২০১১ সালের মে মাসের শুরুর দিকে আল কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের সামরিক শহর অ্যাবোটাবাদে যুক্তরাষ্ট্রের নেভি সিল কমান্ডোদের এক অভিযানে নিহত হন।

  আপলোড তারিখ : 2013-03-08

Share on Facebook    
 
 
সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত