|
আমার স্বামীরে এক ঘাতক ট্রাক মাইরা ফেলছে, আমি এখন আমার সন্তান নিয়া কিভাবে বাঁচব

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : গতকাল বিকাল ৫টার দিকে নরসিংদী হতে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত জিয়াউল হাসান সোহেল (৪৫) লাশ বসন্তপুর নিজ গ্রামে আসার পর হাজার হাজার এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। সোহেলের স্ত্রী মোছাঃ ইয়াসমিন আক্তার সোমা চিৎকার করে বলেন, আমার স্বামীরে এক ঘাতক ট্রাক মাইরা ফেলছে, আমি এখন আমার নবম শ্রেণী পড়য়া মেয়ে ও ছেলেকে নিয়া বাঁচব কি কইরা। তৎকালীন বাজিতপুর উপজেলার বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অ্যাডভোকেট মুসলেহ উদ্দিন আহমেদের ছোট ছেলে জিয়াউল হাসান সোহেল (৪৪) এবং অবসরপ্রাপ্ত আনসার ভিডিপি কমান্ডার শামসুদ্দিন আহমেদের ছেলে সাবেক পৌর কমিশনার মনিরুজ্জামান সোনালী (৪৩) রোববার (১০ মার্চ ) সকাল ৭টায় ভৈরব-ঢাকা সড়কের সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন। জানা যায়, শহরের নান্দিনা এলাকার সোনালী ও পশ্চিম বসন্তপুর এলাকার সোহেল ভোরে একটি মোটরসাইকেলে চড়ে ঢাকা রওনা হন। ৭ টার দিকে মোটর সাইকেলটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ পৌঁছলে পেছন দিক থেকে একটি বালু বোঝাই ট্রাক ধাক্কা দিলে উভয়ে রাস্তায় সিটকে পড়েন। দ্রুত নরসিংদী সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। সোহেল ঢাকায় ইটালিয়ান ভিসা প্রসেসিং সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। তাদের করুন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। বিকাল সাড়ে ৩টায় দুইজনের লাশ নিয়ে নিকট স্বজনরা বাজিতপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হন। বিকেল ৫টায় সোহেলের লাশ মাইক্রো যোগে বাজিতপুর এসে পৌঁছায়। তার আত্মীয়-স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, সোহেলের জানাযার নামাজ আজ সন্ধ্যার পর নিতারকান্দি পারিবারিক কবর স্থানে তার বাবার কবরের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
বাজিতপুরে ছোট বাচ্চারা হাঁসের পা ভাঙ্গার জেরঃ প্রতিপক্ষের হামলায় মহিলাসহ আহত-৩
এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : কিশোরগঞ্জের বাজিকতপুর উপজেলার পিরিজপুর ইউনিয়নের রস্তমপুর ৩নং ওয়ার্ডের ছোট বাচ্চারা উঠানে হাঁসের পা ভাঙ্গার জের ধরে আমলগীর মিয়াসহ ৩-৪ জন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মেন্দু মিয়ার বাড়ীতে হামলা চালালে মহিলাসহ ৩ জন আহত হয়। গুরুতর আহতরা হলেন- তাছলিমা আক্তার (৪২) ও তার স্বামী মিন্দু মিয়া (৫০) কে বাজিতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটে গত শনিবার বিকেল ৫টার দিকে। গুরুতর আহত মিন্দু মিয়া দাবী করেন, আলমগীর মিয়ার দলটি তার স্ত্রী তাছলিমা আক্তারকে সমস্ত শরীরে পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তিনি বলেন, ওইদিন সন্ধ্যার পূর্বে তিনি বাড়ীতে তাকেও আলমগীর গংরা দা দিয়ে কুপিয়ে ডান হাতের আঙ্গুল কেটে ফেলে। এ বিষয়ে মেন্দু মিয়া বাদী হয়ে গতকাল রবিবার বাজিতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
বাজিতপুরের আন্তঃ থানার হোন্ডা চোরের সর্দার গ্রেপ্তার
এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) : কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর আন্তঃ থানার হোন্ডা চোরের সর্দার ও সরিষাপুর গ্রামের মোঃ বিল¬াল মিয়ার ছেলে মোঃ মোবারক হোসেন (২৪) কে গতকাল বাজিতপুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সরিষাপুর ইটভাটার মালিক মোঃ বকুল মিয়ার পালসার হোন্ডাটি গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে মোবারক হোসেন ও তার দলটি ইটখলা হতে চুরি করে নেয়। এই গ্রপটি গত বছর একই গ্রামের পারভেজ মিয়ার ঘরের গ্রীল ভেঙ্গে অনুরূপ ভাবে হোন্ডা চুরি করে নেয়। মোবারক হোসেন ও তার ৮-১০ জনের হোন্ডা চক্রটি এ উপজেলার গত কয়েক মাসে অন্তত ১০-১৫টি হোন্ডা চুরি করেছে। এ ব্যাপারে গত শনিবার (০৯ মার্চ) বকুল মিয়া বাদী হয়ে বাজিতপুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
আপলোড তারিখ :
2013-03-10
|