
এফএনএস : রাষ্ট্রপতি মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের প্রথম দিনটিতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর ঘটনায় মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই কার্যকর হয়েছে দিনের সাধারণ ছুটি। দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস আদালত, সরকারি, বেসরকারি, আধাসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেই এই ছুটি কার্যকর করা হয়েছে। দেশের জরুরি সেবা কার্যক্রমছাড়া সকল ক্ষেত্রেই এই ছুটি কার্যকর থাকবে।
রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে মন্ত্রিসভার এই জরুরি বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই সভাপতিত্বে বৈঠকে রাষ্ট্রপতির মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোকের সময় সকল প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। বিদেশে বাংলাদেশি মিশনগুলোতেও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে।
বৈঠকের পর মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূঁইঞা এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি জানান, সভার শুরুতে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। এসময় আনা শোক প্রস্তাবে বলা হয়, মো. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে একটি সংগ্রামী অধ্যায়ের পরিসমাপ্তি ঘটলো। তার মৃত্যু রাজনীতিতে এক অপূরণীয় ক্ষতি। মন্ত্রিসভা আরও সিদ্ধান্ত নেয় রাষ্ট্রপতির দাফন হবে সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হবে রাষ্ট্রপতিকে। জাতীয় পতাকায় মোড়া রাষ্ট্রপতির কফিন বিমানবন্দরে এসে নামার পর তা গ্রহণ করবেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি এডভোকেট আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। এরপরই মোটর শোকযাত্রার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতির মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে সরাসরি বঙ্গভবনে। পথে সাধারণ মানুষ রাস্তার দুইপাশে দাঁড়িয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারবে। বুধবার বিকেল ৪টা ৪৭ মিনিটে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবে- হাসপাতালে রাষ্ট্রপতির মৃত্যু হয়।