|
আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা ও অসদাচরণ দুই দফা ক্ষমা চাইলেন জকিগঞ্জের পিআইও

এফএনএস (আব্দুল্লাহ আল মামুন; জকিগঞ্জ, সিলেট) : সিলেটের জকিগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নির্দেশ উপেক্ষা করা, আদালতের স্টাফদের অসৌজন্যমূলক আচরণ করায় উপজেলা প্রকল্প কর্মকর্তা দুই দফা ক্ষমা চেয়েছেন আদালতের কাছে। আদালত সুত্র জানায় উপজেলার কসকনকপুর এলাকার একটি মামলা তদন্ত করতে আদালতের নোটিশ গ্রহণে অপারগতা প্রকাশ, আদালতের স্টাফ দেলোয়ার আলী ইমন ও আমিনুর রহমানের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণের দায়ে আদালতে তাদের লিখিত আবেদনের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাহাদত হোসেনকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে। ঐ সময় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আকবর হোসেন এজলাসে এলে উপস্থিত সকলে তাঁকে সম্মান জানালেও পিআইও দাড়িঁয়ে সম্মান জানাননি। বিচারক এজলাসে বসে পিআইওর পরিচয় জানতে চান । পিআইও তার পরিচয় না দিয়ে আদালতের সাথে তর্কে জড়িয়ে যান । এ সময় আদালত তাকে দাঁড়িয়ে থাকতে বলেন। নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোকাম্মেল হক তার পরিচয় দিয়ে পিআইর পক্ষে আদালতে ক্ষমা চান। এ সময় পিআইও সাহাদত হোসেনও অনাকাঙ্কিত বিষয়টির জন্য অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমা চাইলে বিচারক সাময়িক ছেড়ে দেয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। ২৫ মার্চ উপজেলা চেয়ারম্যান শাব্বির আহমদ, কৃষি কর্মকর্তা মোকাম্মেল হক পিআইওকে সাথে নিয়ে ঐ বিচারকের সাথে দেখা করেন তখন আবারো নিজের ভুল স্বীকার করে বিচারকের কাছে ক্ষমা চান পিআইও আগামী ১১এপ্রিল সশরীরে আদালতে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা ও ক্ষমা চাইতে সংশ্লিষ্টের প্রতি নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিআইও বলেন, এমন আচরনে আমি বিস্মিত, ভীষণ মর্মাহত। বিনা ওয়ারেন্টে আমাকে আটক করা হবে কেন ! আমি চোর না ডাকাত। তিনি আদালতের কারো সাথে দূর্বব্যবহার করার কথা অস্বীকার করে বলেন, আমি নতুন অফিসার আমার ভুল হতে পারে।
আপলোড তারিখ :
2013-03-27
|